শফিকুর রহমান ভূঁইয়া
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল

আমার পরিচয়

গণতন্ত্র, জনসেবা এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের আদর্শের প্রতি তিন দশকেরও বেশি সময়ের অবিচল প্রতিশ্রুতি।

৩০+বছরের সেবা
নেতৃত্বের পদ
১০০%প্রতিশ্রুতি
শফিকুর রহমান ভূঁইয়া

আমি কে

আমি শফিকুর রহমান ভূঁইয়া — রাজনীতির শুরু থেকেই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের আদর্শে গড়া এক আপসহীন সৈনিক। ছাত্রদলের রাজনীতি দিয়ে পথচলা শুরু, আর সেই পথের প্রেরণা আমার জেঠা মরহুম আমিন উল্লাহ ভূঁইয়া, যিনি রায়পুরে বিএনপির বীজ বপন করেছিলেন প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি হিসেবে। তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাতে গড়া এই দলের পতাকা বুকে ধারণ করে রাজপথে লড়েছি নির্ভয়ে।

অনুপ্রেরণার উত্তরাধিকার

আমার রাজনৈতিক যাত্রা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের তিন মহান নেতার দ্বারা গভীরভাবে প্রভাবিত। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের স্বপ্নই আমার রাজনৈতিক চেতনার প্রথম আলো — তাঁর সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ আমাকে শিখিয়েছে জাতির সেবায় চাই নির্ভীক উৎসর্গ। বেগম খালেদা জিয়ার বছরের পর বছর নিপীড়ন ও কারাবাসের মধ্যেও অটল থাকা আমাকে দেখিয়েছে প্রকৃত নেতৃত্ব কেমন হয় — ব্যক্তিগত মূল্য যাই হোক, গণতন্ত্রের জন্য দৃঢ় থাকা। আর তারেক রহমানের নির্বাসন ও প্রতিকূলতার মধ্যেও যুবসমাজকে ঐক্যবদ্ধ করে দলের আদর্শ এগিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা প্রতিদিন আমাকে অনুপ্রাণিত করে তৃণমূলে বিএনপিকে আরও শক্তিশালী করে গড়ে তুলতে।

রাজনৈতিক যাত্রাপথ

তৃণমূল আন্দোলন থেকে সাংগঠনিক নেতৃত্ব — প্রতিটি পদক্ষেপ নিষ্ঠা, সততা ও ত্যাগের অঙ্গীকার নিয়ে।

সূচনাকাল

ছাত্রদল কর্মী

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল — বিএনপির ছাত্র সংগঠনের একজন কর্মী হিসেবে রাজনৈতিক জীবন শুরু করি। এটিই ছিল আমার রাজনৈতিক চেতনার ভিত্তিভূমি, যেখানে আমি শৃঙ্খলা, দেশপ্রেম ও সেবার মূল্যবোধ শিখেছি, যা সারাজীবন আমাকে পরিচালিত করেছে।

৩ নং চরমোহনা ইউনিয়ন

সভাপতি, যুবদল

যুবদল — চরমোহনা ইউনিয়ন

৩ নং চরমোহনা ইউনিয়নে যুবদলের (যুব শাখা) সভাপতি নির্বাচিত হই। এলাকার যুবকদের বিএনপির পতাকাতলে সংগঠিত করি, তৃণমূল পর্যায়ে নেটওয়ার্ক গড়ে তুলি এবং স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে দলের উপস্থিতি নিশ্চিত করি।

চরমোহনা ইউনিয়ন

সাধারণ সম্পাদক, ইউনিয়ন বিএনপি

৩ নং চরমোহনা ইউনিয়ন বিএনপি

৩ নং চরমোহনা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করি। ইউনিয়ন পর্যায়ে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা — নেতৃত্বের মধ্যে সমন্বয় সাধন, স্থানীয় কমিটি পরিচালনা এবং নিষ্ঠা ও সততার সাথে দলের তৃণমূল ভিত্তি সুদৃঢ় করি।

রায়পুর উপজেলা

সভাপতি, উপজেলা যুবদল

রায়পুর উপজেলা যুবদল

রায়পুর উপজেলা যুবদলের সভাপতি পদে উন্নীত হই। এই দায়িত্বকালে বারবার সন্ত্রাসী হামলা ও সহিংস বিরোধিতার শিকার হয়েছি, কিন্তু পিছু হটিনি এক পা-ও। এই সময়ের সংগ্রাম আমাকে একজন আপসহীন নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

দুঃসময়ে অবিচল

সহ-সভাপতি, উপজেলা বিএনপি

রায়পুর উপজেলা বিএনপি

দলের সবচেয়ে কঠিন সময়ে রায়পুর উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি হিসেবে দৃঢ় অবস্থানে থেকেছি। যখন অনেকে দোদুল্যমান ছিলেন, আমি সাংগঠনিক অবস্থান ধরে রেখেছি — রাজনৈতিক প্রতিকূলতার মধ্যেও দলকে ঐক্যবদ্ধ, অনুপ্রাণিত ও আদর্শের সাথে সংযুক্ত রেখেছি।

জুলাই অভ্যুত্থান পরবর্তী

সদস্য সচিব, আহ্বায়ক কমিটি

রায়পুর উপজেলা বিএনপি আহ্বায়ক কমিটি

ঐতিহাসিক জুলাই অভ্যুত্থানের পর আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব অর্পিত হয়। দলীয় কাঠামো পুনর্গঠন ও পুনর্নির্মাণের গুরুত্বপূর্ণ মিশন গ্রহণ করি। মূল থেকে একটি শক্তিশালী ভিত্তি গড়ে তুলি, ভবিষ্যতের জন্য দলকে প্রস্তুত করি।

বর্তমান

সাধারণ সম্পাদক, উপজেলা বিএনপি

রায়পুর উপজেলা বিএনপি

আমার প্রাণপ্রিয় নেতাকর্মীদের ভোটে নির্বাচিত হয়েছি রায়পুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক — যা আমার বর্তমান সর্বোচ্চ সাংগঠনিক পদ। এই পদ হাজারো মানুষের আস্থার প্রতিফলন, এবং আমি প্রতিটি ভোটকে দল ও জনগণের প্রতি নিবেদিত সেবার মাধ্যমে সম্মান জানাতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বর্তমান পদ

মূল মূল্যবোধ

সততা

প্রতিটি কাজে ও সিদ্ধান্তে অবিচল সততা।

ত্যাগ

ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে জাতি ও দলকে স্থান দেওয়া।

দৃঢ়তা

প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে অনড়, কখনো পিছু না হটা।

জনসেবা

রায়পুর ও বাংলাদেশের জনগণের সেবায় নিবেদিত।